Advertise 970x90

Saturday, 20 July 2019

// // Leave a Comment

বড় সিদ্ধান্ত ধোনির, এবার ক্রিকেট না খেলে সেনার সাথে দেশ সেবায় নিযুক্ত হবেন তিনি Bangla News Live


মহেন্দ্র সিং ধোনির (MS Dhoni) ক্রিকেট থেকে সন্ন্যাস নেওয়ার গুঞ্জন চলছে। আর এরই মধ্যে ধোনিকে নিয়ে বড় খবর সামনে এলো। মহেন্দ্র সিং ধোনি (Mahendra Singh Dhoni) টিম ইন্ডিয়ার সাথে ওয়েস্টইন্ডিজ এর সফরে যাচ্ছেন না। এমএসকে প্রসাদের নেতৃত্বে আগামী রবিবার ২১ এ জুলাই ওয়েস্টইন্ডিজ সফরের জন্য ভারতীয় দলের ঘোষণা হতে চলেছে।
ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি শনিবার ওয়েস্টইন্ডিজ সফরের থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। তিনি আগামী সফরের জন্য ভারতীয় দলের সাথে থাকবেন না। প্যারা মিলিটারি ফোর্সের প্যারাসুট রেজিমেন্টে ধোনি লেফটিন্যান্ট কর্নেল পদে আছেন। বিসিসিআই এর এক শীর্ষ আধিকারিক এর সুত্র অনুযায়ী, ধোনি আগামী দুই মাস ক্রিকেট থেকে দূরে থেকে সেনার সাথে দেশের সেবা করার জন্য সময় দেবেন।
বিসিসিআই এর এক শীর্ষ আধিকারিক সংবাদ মাধ্যম পিটিআই কে জানান, ‘মহেন্দ্র সিং ধোনি ওয়েস্টইন্ডিজ সফরের জন্য নিজেকে অনুপলব্ধ জানিয়ে দিয়েছেন। কারণ তিনি নিজের আধাসামরিক বাহিনীর সাথে আগামী দুই মাস সময় কাটাতে চান। বিসিসিআই এর আধিকারিক এটাও জানিয়ে দিয়েছে যে, ধোনি এই সময় ক্রিকেট থেকে সন্ন্যাস নিচ্ছেন না।
উনি বলেন, ‘আমরা পরিস্কার জানিয়ে দিচ্ছি যে, মহেন্দ্র সিং ধোনি এখনই ক্রিকেট থেকে অবসর নিচ্ছেন না। তিনি নিজের আধাসামরিক বাহিনীর সাথে সময় কাটানোর জন্য আগামী দুই মাস বিশ্রাম নিচ্ছেন। এটা তিনি এর আগেও করেছেন।
Bangla News Live
Read More
// // Leave a Comment

রাত পোহালেই ‘একুশ”, সভা ভরানো নিয়ে চরম চিন্তিত তৃণমূল নেতৃত্ব Bengali News Live


প্রস্তুতি সব শেষ, এবার সভায় ভিড় নিয়ে চিন্তার ভাঁজ শাসক দলের কপালে। সভা শুরু হতে মাত্র আর এক রাত বাকি, কিন্তু তাঁর আগে তৃণমূলের অন্দরমহলে একটাই চিন্তা, ‘লোক হবে তো?”। এর আগে ১৯শে জানুয়ারি দেশের তামাম বড়বড় নেতাদের এনেও সভা ভরাতে পারেনি তৃণমূল। এলাহি আয়োজন করে কোটি কোটি টাকা খরচ করেও লোক জোটেতে ব্যার্থ হয়েছিলে শাসক দল।আরেকদিকে মাত্র কয়েক দিনের প্রস্তুতি নিয়ে ব্রিগেডে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল নমো। এবার সেই একই রকম দুশ্চিন্তায় ভুগছে তাঁরা।
শহীদ সমাবেশে সবথেকে বেশি লোকের আশা করা হয় উত্তর বঙ্গ থেকে। কিন্তু এবার উত্তর বঙ্গ থেকেও তৃণমূলের আশা তেমন দেখা যাচ্ছে না। কারণ গত লোকসভা নির্বাচনে উত্তর বঙ্গে চরম ভরাডুবি হয়েছিল শাসক দলের। এর আগে শহীদ সমাবেশের দু-তিন দিন আগে থেকেই উত্তর বঙ্গ থেকে হাজার হাজার মানুষ চলে আসে কলকাতায়। কিন্তু এবার সেটা আর দেখা যাচ্ছে না।
আরেকদিকে হাওড়া ও শিয়ালদহ রেল স্টেশনে প্রায় ২০০ বাঁশের ব্যাবস্থা করা হয়েছিল শাসক দলের পক্ষ থেকে, কিন্তু শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত ওই ২০০ বাসের মধ্যে খুব বেশি হলে মাত্র ২০ টি বাস বের হয়েছিল। শুক্রবার রাতে কয়েকটি বাস সেখান থেকে ছেড়ে ক্যাম্পের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল, সেগুলোও ছিল প্রায় ফাঁকা।
আরেকদিকে দক্ষিণ বঙ্গের জঙ্গলমহলে তৃণমূলের ভরাডুবি দেখা গেছিল গত লোকসভা ভোটে। পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার মতো জেলাগুলিতেও একুশের সমাবেশ নিয়ে তেমন উৎসাহ নেই বলেই খবর। শাসকদলের অনেক নেতারা ঘনিষ্ঠ মহলে এ-ও বলেছিলেন,  আগে নেতারা বাসে চেপে, লরিতে চেপে লোক নিয়ে আসত। আর এখন পাড়ায় পাড়ায় সব নেতার একটা করে স্করপিও গাড়ি হয়ে গিয়েছে।
আগামী পুরসভা ভোট এবং বিধানসভা ভোটকে মাথায় রেখেই শহীদ সমাবেশে জনজোয়ার আনতে চাইছে তৃণমূল। কিন্তু নেতা কর্মীদের মুখ দেখে যা মনে হচ্ছে, এবার আর হয়ত বৈতরনী পার হবেনা।
Bengali News Live
Read More
// // Leave a Comment

কট্টরপন্থী এজাজ খান পেল না জামিন! পাঠানো হলো ১৪ দিনের জন্য জেলে, তারপর হবে বিচার। Bangla


সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়ানোর জন্য কুখ্যাত অভিনেতা এজাজ খান জামিন পাওয়ার চেষ্টা করেও বিফল হলো। আজ এজাজ খান জামিন পায়নি উল্টে ১৪ দিনের জন্য বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বার বার গ্রেফতারের দাবি জানানো পর সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে এজাজ খানকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সম্প্রতি এজাজ খান সোশ্যাল মিডিয়া বেশ কিছু ভিডিও প্রকাশ করেছিল। একটা ভিডিওতে এজাজ খান সকল ভারতীয়কে মুসলিম বানানোর জন্য হুমকি দিয়েছিল।
আরো এক ভিডিওতে এজাজ খান বলেছিল, আমরা বৈধ অবৈধ মিলিয়ে ৪০ কোটি মুসলিম রয়েছি, এক দিন শুধু বেরোতে হবে। দেশে দাঙ্গা করার হুমকিও দিয়েছিল অভিনেতা এজাজ খান। শুধু এই নয়, এজাজ খান পুলিশকে হুমকি দিয়ে বলেছিল যে যা করতে পারে করে নিক। এরপর সোশ্যাল মিডিয়ার চাপে পুলিশ এজাজ খানকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

এজাজ খানের গ্রেফতারির পর এখন তার বিবি সংখ্যালঘু ও ভিকটিম কার্ড খেলতে শুরু করেছে। আজ এজাজ খানের বেগম হিজাব পরে মিডিয়ায় কাছে আলতাকিয়া শুরু করেছিল। মিথ্যা কান্না কাটি করে তার স্বামীকে বাঁচানোর চেষ্টা করে। কিন্তু শেষ অবধি কোনো লাভ হয়নি। এজাজ খানকে ১৪ দিনের জন্য বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। এবার এজাজ খান ১৪ দিন জেলেই থাকবে। পুলিশ এজাজ খানের উপর যে ধারা লাগিয়েছে তাতে ৫ বছরের জেল পর্যন্ত হতে পারে। সূত্রের খবর এও যে পুলিশ এজাজ খানকে বেধড়ক পিটিয়েছে।
Bangla
Read More
// // Leave a Comment

পাঁচদিনেই মোহভঙ্গ! শহীদ দিবসের আগেই ফের বিজেপিতে যোগ দিলেন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য Bengali


গত ১৫ই জুলাই ভুল বুঝিয়ে বিজেপি থেকে তৃণমূলে নিয়ে গেছিলে দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলা সভাপতি অর্পিতা ঘোষ। পাঁচদিন যেতে না যেতেই ভুল শুধরে ফের বিজেপিতেই ফিরে এলেন বালুরঘাটের চিঙ্গিসপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য পঞ্চমি বর্মন। তৃণমূলের শহীদ দিবসের একদিন আগে এই ঘটনার বেশ ব্যাকফুটে তৃণমূল নেতৃত্ব। এমনকি দক্ষিণ দিনাজপুরের তৃণমূলের জেলা সভপতি অর্পিতা ঘোষের ভূমিকা নিয়ে দলের অন্দরেই উঠছে নানান প্রশ্ন।
গত ১৫ জুলাই অর্পিতা ঘোষের হাত ধরে বিজেপি ছেড়ে তৃনমূলে যোগ দিয়েছিলেন বালুরঘাটের চিঙ্গিশপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য পঞ্চমী বর্মন। বিজেপির এক পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যাকে দলে টেনে নিয়ে ওই এলাকা থেকে ধীরে ধীরে বিজেপিকে মুছে দেওয়ার ডাকও দিয়েছিলেন অর্পিতা ঘোষ। কিন্তু ওনার সমস্ত পরিকল্পনায় জল ঢেলে দিলে দক্ষিণ দিনাজপুরের বিজেপি সভাপতি শুভেন্দু সরকার। এদিন জেলা সভাপতি শুভেন্দু সরকারের হাত ধরে ফের বিজেপিতে ফিরে আসেন বালুরঘাটের চিঙ্গিশপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য পঞ্চমী বর্মন।
বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর পঞ্চমী বর্মন জানান, ওনাকে ভুল বুঝিয়ে বিজেপি থেকে তৃণমূলে নিয়ে গেছিলেন অর্পিতা ঘোষ। কিন্তু নিজের ভুল শুধরে ফের বিজেপিতে চলে আসেন তিনি। একটি সাংবাদিক সন্মেলনের মধ্যে দিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিজেপি সভাপতি শুভেন্দু সরকার জানান, ‘বিজেপি ছেড়ে কেউ তৃণমূলে যাচ্ছে না। যারা আগে বিজেপি করত, তাঁরা এখনো বিজেপিই করছে। এবং ভবিষ্যতেও বিজেপিই করবে।”
তিনি আরও বলেন, ‘তৃণমূলের উচিত নিজের দল নিয়ে ভাবনা চিন্তা করা। কারণ বিজেপি ছেড়ে কেউ ডুবন্ত নৌকা তৃণমূলে যাবেনা। কিন্তু তৃণমূল ছেড়ে সবাই বিজেপিতে চলে আসবে। তৃণমূলে গণতন্ত্র নেই। সন্ত্রাস আর দুষ্কৃতীতে ভরে গেছে দল। তৃণমূলের নেতারা এখন ভুল বুঝিয়ে বিজেপির নেতা কর্মীদের তাঁদের দলে টানতে চাইছে, কিন্তু তাঁদের এই মনস্কামনা পূরণ হবেনা।”
Bengali
Read More
// // Leave a Comment

আজ ‘একুশে” অনুপস্থিত তৃণমূলের সাতজন বিধায়ক, চরম চিন্তায় তৃণমূল নেতৃত্ব Bengali News


আজ তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে সবথেকে বড় দিন। ক্ষমতায় আসার পর থেকে বেশ ঘটা করে আজকের দিন পালন করছেন তৃণমূল নেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। লোক বাড়ানোর জন্য নেওয়া হচ্ছে বিশেষ উদ্যোগ। কিন্তু এবছরের শহীদ সমাবেশে তৃণমূলের চিন্তা লাগাতার বেড়েই চলেছে। কারণ অনান্য বছরের তুলনায় এবছরে লোক হওয়া নিয়ে সংশয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব।
গত লোকসভা ভোটে উত্তর বঙ্গে তৃণমূলের ভরাডুবির ফলে সেখান থেকে এবার ২১-র সভায় লোকের সমাগম বেশি হচ্ছে না। আরেকদিকে জঙ্গলমহলে তৃণমূলের শক্তি অনেক কমেছে। ঝাড়গ্রাম থেকে কলকাতায় আসার জন্য বিশেষ বন্দোবস্ত করা হলেও, লোক পাওয়া যাচ্ছেনা। শিয়ালদহ স্টেশনে ২০০ টি বাসের ব্যাবস্থা করা হলে, শুক্রবার রাত পর্যন্ত ২৫-৩০ টি বাসই রওনা দিয়েছে। আর তাঁর মধ্যে গোদের উপর বিষফোঁড়া হচ্ছে, এবার ২১ এ জুলাইয়ের সমাবেশে উপস্থিত থাকছেন না তৃণমূলের সাত বিধায়ক।
সাত জনের মধ্যে পাঁচ জন বিধায়ক নোয়াপাড়ার সুনীল সিং, লাভপুরের মনিরুল ইসলাম, বনগাঁ উত্তরের বিশ্বজিৎ দাস, বীজপুরে শুভ্রাংশু রায়, কালচিনির উইলসন চম্পামারি ইতিমধ্যে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছেন। আর দুজন বিধায়ক হলেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র বেহালা পূর্বের বিধায়ক শোভন চট্টোপাধ্যায়। এবং বিধাননগর পুরসভার সদ্য পদত্যাগী মেয়র ও রাজারহাট নিউটাউনের বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত।
লোকসভা ভোটের পর থেকেই তৃণমূলে ভাঙন শুরু হয়েছে। আর ২০১৯ লোকসভা ভোটের পর এটাই তৃণমূলের প্রথম বড় র‍্যালি। আর এই র‍্যালিকে সাফল্যমণ্ডিত করতে তৎপর তৃণমূল নেতৃত্ব। কিন্তু সবার মুখে দিনের শেষে একটাই প্রশ্ন, লোক হবে তো?

Bengali News
Read More
// // Leave a Comment

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ বানাচ্ছেন প্ল্যান, উপত্যকায় খুব তাড়াতাড়ি হতে চলেছে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ঘর ওয়াপসি Bangla News


কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ এবং ওনার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বরিষ্ঠ আধিকারিকদের টিম উপত্যকায় কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ঘর ওয়াপসির জন্য যুগান্তকারী রণনীতি বানাচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের উচ্চ পদস্থ সুত্র জানান, অমিত শাহ এই ব্যাপারে গত এক মাসে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাশ্মীরি ডিভিশন এর প্রধান আধিকারিকদের সাথে বেশ করেকবার বৈঠক করে ফেলেছেন। অমিত শাহ জম্মু কাশ্মীরে সক্রিয় রণনীতির সাথে বাহারি এবং অন্দরের সন্ত্রাসবাদের সাথে মোকাবিলা করে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের পুনর্বাসন করাতে চান। ১৯৮৯ সালের পর থেকে কাশ্মীরে কট্টরপন্থী দের অত্যাচারে প্রায় তিন লক্ষ কাশ্মীরি পণ্ডিত তাঁদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পলায়ন করতে বাধ্য হয়েছিল।
সুত্র জানায় যে, কেন্দ্র সরকার উপত্যকায় কাশ্মীরি পণ্ডিতদের জন্য সুরক্ষিত বসবাস যোগ্য এলাকা বানানোর প্ল্যান করছে। এই পরিকল্পনা এর আগে ২০১৫ সালে কাশ্মীর সরকার দ্বারা নেওয়া পদক্ষেপের থেকেও বেশি কার্যকারী হবে। পুনর্বাসন যোজনা ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী কল্যাণকারী যোজনা গুলোতেও নজর রাখছেন। বিশেষ করে সন্ত্রাসবাদ প্রভাবিত রাজ্যে বসবাসকারী বিধবা, সন্ত্রাসবাদের শিকার হওয়া মানুষ, বিকলাঙ্গ আর প্রবীণ নাগরিক সম্বন্ধিত কল্যাণমূলক পরিকল্পনা গুলোতে বেশি করে নজর রাখা হচ্ছে। জম্মু কাশ্মীরের রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক শুক্রবার আভাস দিয়েছেন যে, উপত্যকায় কাশ্মীরি পণ্ডিতদের পুনর্বাসনের জন্য সরকার প্রয়োজনীয় রণনীতি বানাচ্ছে।
রাজ্যপাল এই ব্যাপারে আশ্বস্ত যে, যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে তাহলে খুব শীঘ্রই এই পরিকল্পনার ঘোষণা করা হবে। সুত্র জানায় যে, আগামী মাসে অমরনাথ যাত্রা শেষ হলেই, সরকার তাঁদের পরিকল্পনার ঘোষণা করবে। সরকারের এই পরিকল্পনা কাশ্মীরি পণ্ডিতদের পুনর্বাসনের জন্য এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত হতে চলেছে। কাশ্মীরি পণ্ডিতেরা বিগত তিন দশক ধরে নিজেদের পুনর্বাসনের জন্য সুরক্ষিত নীতির অপেক্ষা করছে। এর আগে লোকসভাতে ১৬ই জুলাই এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র রাজ্য মন্ত্রী জি. কিষাণ রেড্ডি বলেছিলেন যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৯২০ কোটি টাকা কাশ্মীরের জন্য ঘোষণা করে ৬০০০ ট্রান্সিট আবাসের নির্মাণের মঞ্জুরি প্রদান করেছেন।
কেন্দ্র সরকার প্রত্যেক প্রবাসী পরিবারকে প্রতিমাসে ১৩ হাজার করে ত্রান দিচ্ছে। সুত্র জানায় যে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক কাশ্মীরের রাজ্যপাল এবং ওনার উপদেষ্টাদের রাজ্যে দুর্নীতি বিরোধী তদন্তের আওতা আরও বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ-র অনুযায়ী, কিছু রাজনেতাদের সাহাজ্যে দুর্নীতিগ্রস্ত অফিসারেরা জনকল্যাণমূলক আর উন্নয়নের প্রকল্পের অর্থ নয়-ছয় করছে। সুত্র জানায় যে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী পুলিশ আর পুলিশ আর প্রশাসনকে আলগাঁওবাদী নেতা আর তাঁদের সমর্থকদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
Bangla News
Read More
// // Leave a Comment

মধুর প্রতিশোধ! যোগীকে আটকেছিল মমতা, এবার তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে বিমান বন্দরে আটকে দিলো যোগী Latest Bengali News


যোগী আদিত্যনাথ শাসিত উত্তর প্রদেশের সোনভদ্রে  জমি সংঘর্ষে মৃত পরিবারের সাথে দেখা করতে যাচ্ছিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েনের নেতৃত্বে তৃণমূলে প্রতিনিধি দল। সকালে বারাণসী বিমান বন্দরে নামার সাথে সাথেই তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে সেখানেই আটকে দেওয়া হয়। এই ঘটনার পরে বারাণসী বিমান বন্দর থেকে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ক্ষোভ উগড়ে দেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন। তিনি জানান, ওপরতলার নির্দেশ মেনেই এহেন কাজ করেছে উত্তর প্রদেশের পুলিশ আধিকারিক।
ডেরেক অভিযোগ করে জানান, আমরা সোনভদ্রে নিহত পরিবারের সাথে দেখা করে, তাঁদের পাশে দাঁড়াতে যাচ্ছিলাম। তাঁদের সবরকম সাহায়তার জন্য এগিয়ে এসেছিলাম আমরা। কিন্তু যোগীর নির্দেশে আমাদের সেখানে যাওয়া তো দূরের কথা, আমাদের বিমান বন্দর থেকেই বের হতে দেয়নি উত্তর প্রদেশ পুলিশ। ডেরেক এবং তৃণমূল এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগড়ে দেন।
কিন্তু ওনার ক্ষোভ উগড়ে দেওয়া কি আদৌ যুক্তিযত? কারণ রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এইরকম আচরণ তো মমতা ব্যানার্জীর থেকেই শেখা। কারণ লোকসভা ভোটের তারিখ ঘোষণার আগে এরাজ্যে যোগী আদিত্যনাথের পরপর তিনটি সভা আটকে দিয়েছিল মমতা ব্যানার্জীর প্রশাসন। যোগ আদিত্যনাথের হেলিকপ্টার পর্যন্ত নামতে দেওয়া হয়েছিল না এরাজ্যে, এমনকি বালুরঘাটে যোগী আদিত্যনাথের সভার মাঠে রাতারাতি জল ছেড়ে মাথ ডুবিয়ে দিয়ে সভা পণ্ড করা হয়েছিল তৃণমূলের পক্ষ থেকে।
শুধু যোগী কেন? রামনবমীর দিনে আসানসোলে দাঙ্গা ছড়ানোর পর, এরাজ্যের বিজেপি প্রতিনিধিদের সেখানে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এমনকি আসানসোলের বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়কেও আসানসোলে ঢুকতে বাধা দিয়েছিল মমতা ব্যানার্জীর প্রশাসন। তাহলে আজ মমতা ব্যানার্জীর দলের নেতারা অন্য রাজ্যের ঘটনায় কেন নাক গলাচ্ছে?
লোকসভা ভোটের পর বসিরহাট লোকসভা অন্তর্গত সন্দেশখালিতে শুধুমাত্র পতাকা লাগানো কে কেন্দ্র করে বিজেপির পাঁচ কর্মীকে গুলি করে খুন করেছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এমনকি ওই ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূলের নেতা শেখ শাহজাহান এর বিরুদ্ধে মুখ খোলেনি তৃণমূল নেতৃত্ব। তখন ডেরেক ওব্রায়েনের নেতৃত্বে কোন প্রতিনিধি দলই সন্দেশখালিতে নিহত পরিবারের পাশে দাঁড়ানো অথবা দেখা করার জন্য যায়নি।
শুধু তাই নয়, সন্দেশখালি কাণ্ডে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের হাতে মৃত বিজেপি কর্মীদের দেহ কলকাতায় নিয়ে আসার সময় বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের গাড়ি আটকে দিয়েছিল প্রশাসন। এছাড়াও এরাজ্যে তৃণমূল বিজেপির গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রাও হতে দেয়নি। নিজের রাজ্যেই যখন বিরোধী দলকে এরকম ভাবে প্রতিহত করার চেষ্টা করা হয়, তখন অন্য রাজ্যে গিয়ে তৃণমূলের এহেন মাতব্বরি কি তৃণমূল বিরোধী দল সহ্য করবে?
Latest Bengali News
Read More